Powered by Blogger.

Sample Text

About Me

Showing posts with label পর্যটন. Show all posts

বাংলাদেশে ২৭টি অসম্ভব সুন্দর জায়গা! আপনার বিশ্বাস হবেনা এগুলো স্থান বাংলাদেশে আছে!


বাংলাদেশে ২৭টি অসম্ভব সুন্দর জায়গা ! 

আপনার বিশ্বাস হবেনা এগুলো স্থান বাংলাদেশে আছে !


অনেকেই বলেন বাংলাদেশে কোন সুন্দর ঘোরার জায়গা নেই। কিন্তু এটা একটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা। বাংলাদেশে এতো অসাধারন সব পর্যটন ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলো না দেখলে বিশ্বাস হয়না। এখন আপনাদের দেখাবো এমন কিছু অসাধারন জায়গা। আপনারা অবসরে এগুলো থেকে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন।
এই ছবিগুলোর কোনটিই আমাদের নিজেদের তোলা নয়। প্রতিটি ছবির ফটোগ্রাফারের নাম আমরা ছবির নিচে ম্যানশন করে দিয়েছি। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এসব ছবি আমাদের সামনে তুলে এনেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

১. সাজেক ভ্যালি, রাঙ্গামাটি।

Sajek Valley...Photo by Afzal Nazim Sajek Valley
Photo by Tarek Mahmud

রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালির পাহাড়ের উপরের দৃশ্য।

Beautiful BangladeshPhoto by Imran Bin Mazher I wanna climb the hills because I wanna vanish in clouds and their music
Photo by MD.ABDULLAH MAHMUD

২. কাপ্তাই লেক, রাঙ্গামাটি।

২. শুকনাছড়া ফলস, রাঙ্গামাটি।

৪. রাইখং লেক, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি

Raikhong LakePhoto by TuheenBD

রাইখং ফলস, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি

Waterfalls
Photo by TuheenBD

৫. নীলগিরি রিসোর্ট, বান্দরবান

Nilgiri Resort @ BandarbanPhoto by alauddin2008

নীলগিরি বান্দরবান থেকে সূর্যাস্ত

sunrise at Nilgiri, Bandarban Photo by Ishtiaque Ovee

৬. সাঙ্গু নদী, বান্দরবান

৭. কিউক্রাডং এর চূড়া থেকে

Goodmorning Keokaradang Photo by Faisal Akram

৮. বান্দরবানের বগা লেকের কাছ থেকে মিষ্টি পাহাড়

৯. বান্দরবানের বগা লেক

Boga Lake
Photo by Anwar Hussain

১০. বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়

Bandarban Chimbuk Range Hill View From Nilgiri Photo by Sharif Ripon

১১. জাদিপাই পাড়া, বান্দরবান

১২. জাদিপাই ফল, বান্দরবান

Jadipai Fall, Bandorban, Bangladesh Photo by Roy Udoy

১৩। নাফাখুম ফল, বান্দরবান

Nafakhum, BandarbanPhoto by Razequl Zibon

১৪. থানছি, বান্দরবান

Pan Thanchi 1
Photo by Sabbir Khan email: [email protected]//

১৫. আমিয়াখুম ফল, বান্দরবান

Amiakhum Waterfall Photo by Md Rasedul Hasan

১৬. রিজুক ফল, বান্দরবান

Rijuk falls ((Bandarban)

১৭. তাজিংডন, বান্দরবান

Tajingdong
Photo by Dr.Muntasir Moin

১৮. রাতারগুল জলাভূমির বন, সিলেট

Ratargul
Photo by Wild Priest

সিলেটের রাতারগুল জলাভূমির বনের আরেকটি দৃশ্য

04 Photo by Arefin Chisty

সিলেটের রাতারগুল জলাভূমির বন

১৯. জাফলং, সিলেট

JaflongPhoto by Neerod

২০. বিছনাকান্দি, সিলেট

Bichana Kandi _ sYlhet

সূত্র : বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক্যাল পেজ
http://www.banglaphotographyschool.com/ভ্রমন/বাংলাদেশে-৩৮-অসাধারন-জায়

প্রাকৃতিক নৈগসির্গক রিমঝিম ঝরনা খৈয়াছড়া !

বিদেশ বিদেশ ভ্রমন,কেন নয় দেশ, আসুন দেশকে ভালবাসি

                   রিমঝিম ঝরনা খৈয়াছড়া! 


প্রকৃতি আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে


মো. জাভেদ-বিন-এ-হাকিম, দৈনিক আমার দেশ 

ঝুম বৃষ্টিতে ঝরনা দেখব, কিন্তু হাতে সময় মাত্র একদিন। বন্ধুদের নিয়ে আলোচনা হল, কোন দিকটায় যাওয়া যায়। মোস্তাক ও কবির আবদার করল বন্ধু খৈয়াছড়া চল। আমি রাজি হতেই দৈ-ছুট ভ্রমণ সংঘের দশ বন্ধু পুরো প্রস্তুতি নিয়ে নেয়। দিন তারিখ সময় গাড়ি সব রেডি। যাওয়ার দেড় দিন আগে মিরসরাইর স্থানীয় পাক্ষিক খবরিকা পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান পলাশ ভাই ফোন দেন, জাভেদ ভাই ভ্রমণ তারিখ পরিবর্তন করুন। কারণ জানতেই বলেন মীরসরাইতে অঝোর ধারায় বৃষ্টি। ঝরনায় যাওয়ার পথ খুবই রিস্কি। ওমা বলে কি! আরে ভাই ঝুম বৃষ্টিই তো আমরা কামনা করি। ওকে ডান ,আপনারা পারলে আমার সমস্যা নাই। শুক্রবার ভোর পাঁচটায় গাড়ী ছাড়ে। দাউদকান্দির পর থেকেই শুরু হয়ে যায় যানজটের তেলেসমাতি, মাঝে নাস্তা আর জুম্মা নামাজের বিরতি, দুপুরের খাবারে ভাতের বদলে সমুচা খেয়ে সময় সাশ্রয় করার পরও মিরসরাই বাজারে পৌঁছাতে বেলা বাজে তিনটা, সকাল এগারটা থেকে অপেক্ষায় থাকা মিরসরাইর অকুতোভয় সাংবাদিক দৈনিক জনকন্ঠের রাজিব মজুমদার পাক্ষিক প্রকাশের কর্মকান্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবু ওনারা হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে আমাদের বরণ করেন, কালবিলম্ব না করে স্থানীয় এক তরুনকে আমাদের সঙ্গে দিয়ে দেন। মাইক্রো বড়তাকিয়া গিয়ে বামে মোচড় নেয়। রেললাইন পর্যন্ত গিয়ে গাড়ী থামে। এবার হেটে যেতে হবে, প্রায় তিন কিলোমিটার। চারপাশে যে নৈসর্গিক দৃশ্য-তাতে ত্রিশ মাইল হাটলেও গায়ে লাগবে না।গ্রামের মেঠো পথ বাড়ির উঠান খেতের আইল ধরে হাটি, একটা সময় পাহাড় আর ঝোপ ঝাড়ের আড়ালে সূর্য লুকায়। ঘড়ি দেখি, না এখনো দিন ফুরোনোর সময় রয়েছে আরো বাকি। নব উদ্যোমে পা দুটো কে আরো বেশি সচল করি,নতুন কিছু দেখতে পাব এই আশায় বুক বেধে এগিয়ে যাই, এক সময় পেয়ে যাই ঝিরি। এখন ট্রেইল হবে ভিন্ন রকম মুলিবাঁশের সাঁকো, ঝিড়ির ঠান্ডা পানি আবার কখনোবা হাটু পর্যন্ত দেবে যাওয়া রসালো কাঁদা মাড়ানো পথ পাড়ি দিয়ে পৌঁছে যাই দীর্ঘ দিন ভ্রমণপিপাসুদের চোখের অন্তরালে থাকা রিমঝিম শব্দ তুলে আপন গতিতে গড়িয়ে পড়া খৈয়া ছড়া ঝরনা। ওহ্! আল্লাহ্ কত সুন্দর তোমার মহিমা! চার পাশে ঘন সবুজ অরন্য,তার মাঝে মনেতে রঙ ধরানো খৈয়াছড়া। কিছুটা সময় অবাক বিস্বয়ে তাকিয়ে রই। প্রায় আশি ফিট উচ্চতা থেকে ২০ থেকে ২৫ ফিট ব্যাসার্ধ নিয়ে তীব্র গতিতে পানি পড়ে। হতাশার অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া যে কোন মানুষই খৈয়াছড়ার রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হয়ে নিজেকে নতুন করে সাজাবে নিস্বন্দেহে! পানির ক্ষিপ্রতায় ঝর্ণার সামনে ব্যসিন সৃষ্টি হয়েছে। সেই হিম হিম ঠান্ডা পানিতে জসিমের কি যে ফুর্তী আর আর দে-ছুটের নিজস্ব ফটো গ্রাফার হিসেবে সীকৃতি পাওয়া ইফতেখার ভবিষ্যত্এ আরো বড় মাপের আলোক চিত্রকার হবে সেই বাসনায় ডি এস এল আরের বাটন টিপতে টিপতেই অস্থির। ঝরনার উপচেপড়া যৌবনের শীতল পানিতে দীর্ঘ সময় গোসল করি,যেন ভেজাঁর শখ মিটেনা! যে কোন ঝরনার আসল রূপ সৌন্দর্য দেখার সুবর্ণ সময় হল আগষট ও সেপ্টেম্বর। খৈয়াছড়া ঝরনার আশে পাশেও আরো বেশ কয়েকটি ছোট ছোট ঝর্না আছে। সম্পূর্ণ বুনো পরিবেশে খেয়া ছড়া ঝর্ণার অবস্থান।দেশের বিশেষ কয়েকটি ঝর্নার মধ্যে খৈয়াছড়া ঝর্নার ভৌগলিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত। ইচ্ছে করলে জোসনা রাতে ক্যাম্প করে জম্পেশ আড্ডা জমিয়ে রাত কাটানো যাবে। যতদূর জানা যায় দূর দূরান্ত হতে আগত প্রকৃতিপ্রেমীরা রাত কিংবা দিন নিরাপদে সময় কাটাতে পারবে। কান পাতলেই শুনতে পাবে মায়া হরিণের ডাক। গান শুনতে চাইলে একটু বনের ভিতর ঢুকলেই শুনতে পাবেন নাম না জানা পাখির মিষ্টি সুরেলা আওয়াজ। খৈয়াছড়া ঝরনার মোট নয়টি ধাপ, বেশির ভাগ ভ্রমণপিপাসুরা প্রথমটি দেখেই আত্মতৃপ্তিতে ভোগে কিন্তু আমরা তো আর তেমনটি নই। সদ্য মটরবাইকে আহত মোস্তাক পরের ধাপগুলো দেখার জন্য বায়না ধরে। উঠতে শুরু করি পিচ্ছিল খাড়া পাহাড় বেয়ে। রিস্কি ট্রাকিং-এ মোতাহের কে দারুন মিস করি। সময়ের অভাবে সব গুলি ধাপ দেখতে না পেলেও দ্বিতীয় ধাপটি বেশ চমত্কার, আরো বেশি আকর্ষণীয় অথচ রয়েছে কতটা অবহেলায়। খৈয়া ছড়া ঝর্ণার অবস্থান- আকৃতি- পরিধি- প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্য- রোমাঞ্চকর ট্রেইল সব কিছু মিলিয়ে প্রকৃতির এক অনন্য সুন্দর লীলাখেলা। সরকার যদি খৈয়াছড়া ঝর্নার অবকাঠামোর প্রতি নজর দেন তাহলে বাংলাদেশের মধ্যে অন্যান্য বৃহদাকার প্রাকৃতিক জলপ্রপাত থেকে খৈয়াছড়া ঝরনাই হবে দূরত্বের দিক থেকে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সব চাইতে নিকটতম আকর্ষণীয় বিশালাকার ঝরনা।
যোগাযোগ : ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ে রোডের পাশে বড় তাকিয়া এলাকায় গিয়ে বাম পাশের গ্রামের রাস্তা ধরে এগুতে হবে। বাস থেকে নামতে হবে মিরসরাই বাজার অথবা বাড়ীহাট। রিজার্ভ কিংবা নিজস্ব বাহনে গেলে খৈয়া ছড়া ঝরনার তিন কিলোমিটার আগে রেললাইনের পর্যন্ত যাওয়া যাবে, খরচ জনপ্রতি দুই হাজার পাঁচশ টাকা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের রাতের বাসে অথবা মাইক্রোতে গিয়ে দিনে দিনে ঘুরে আসা যাবে। মিরসরাই বাজার হতে ঝিরি পর্যন্ত সিএনজি যায়। গাইড হিসেবে তিনশ-পাচশ টাকার বিনিময়ে রেললাইনের পাশের দোকানগুলো থেকে গ্রামের কিশোর-তরুণদের সঙ্গে নেয়া যাবে।

টিপস :

* খেয়াল রাখবেন আপনার অতি উচ্ছ্বাসের কারণে যেন প্রকৃতির কোন ক্ষতি না হয়
* সঙ্গে নেয়া খাবারের পলি প্যাকেট সাথে নিয়েই ফিরুন
* ঝরনার পানিতে গোসলের জন্য অতিরিক্ত কাপড় সাথে নিন
* অশালীন পোশাক পরিহার করুন
* যত খুশি দুই নয়ন দিয়ে দেখুন, মন ভরে উপভোগ করুন আর মনে মনে বলুন, আমি দেখছি—ভবিষ্যত্ প্রজন্মকেও দেখাবো। সুতরাং প্রকৃতির দেয়া সম্পদ ধ্বংস না করি।

- Copyright © পর্যটন হোক উন্নতির হাতিয়ার - Skyblue - Powered by Blogger - Designed by Johanes Djogan -